বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২৭, ২০২২

সাতক্ষীরায় শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা মামলার আরও ২টি আপীল নামঞ্জুর

সাতক্ষীরায় শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে
হামলা মামলার আরও ২টি আপীল নামঞ্জুর

সাতক্ষীরা সংবাদদাতা।।
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় সাবেক বিরোধী দলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা মামলার ৩ আসামীর আপীল মামলা না মঞ্জুর করে বিচারিক আদালতের দেয়া সাজা বহাল রাখার আদেশ দিয়েছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালত। রোববার (৯ জানুয়ারী) সাতক্ষীরার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান এ আদেশ দেন।
জানা যায়, ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট সাতক্ষীরার কলারোয়ায় সাবেক বিরোধী দলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত দ্রুত বিচার আইনের একটি মামলায় ২০২১ সালের ৪ ফেব্রুয়ারী সাতক্ষীরার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এক রায়ে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাতক্ষীরার তালা-কলারোয়া আসনের সাবেক এমপি, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৫০ জন আসামীর সকলকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়। এর মধ্যে সাজাপ্রাপ্ত আসামী কলারোয়া উপজেলার সনজু ও মাহফুজুর রহমান বিচারিক আদালতের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল আপীল ৪৬/২১ এবং একই উপজেলার আসামী কনক ক্রিমিনাল আপীল ১১৭/২১ নম্বর মামলা দায়ের করেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতে। মামলা দুটি চুড়ান্ত শুনানী শেষে রোববার বিচারক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান আপীল মামলা দু’টি না মঞ্জুর করে বিচারিক আদালতের দেয়া সাজা বহাল রাখার আদেশ দেন। ক্রিমিনাল আপীল ৪৬/২১ নম্বর মামলার অপর আসামী মাহফুজুর রহমান সাজা চলাকালীন অবস্থায় জেল খানায় ইতিমধ্যে মৃত্যু বরণ করেছেন।
রাষ্ট্র পক্ষের মামলা পরিচালনা করেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাড. আব্দুল লতিফ ও আসামী পক্ষের মামলা পরিচালনা করেন অ্যাড. মিজানুর রহমান পিন্টু।
উল্লেখ্য ঃ ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট তৎকালিন বিরোধী দলীয় নেতা আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাতক্ষীরায় মুক্তিযোদ্ধার ধর্ষিতা স্ত্রীকে হাসপাতালে দেখে মাগুরা ফিরে যাবার পথে কলারোয়ায় সন্ত্রাসী হামলা শিকার হন। এতে শেখ হাসিনা অক্ষত থাকলেও তার সফরসঙ্গী ফাতেমা জাহান সাথী, জোবায়দুল হক রাসেল, ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবর রহমান, শহিদুল হক জীবন, আবদুল মতিনসহ অনেকেই আহত হন। এ সময় বেশ কয়েকজন সাংবাদিকও হামলার শিকার হন।
এ ঘটনায় কলারোয়া মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ মোসলেমউদ্দিন ২৭ জনকে আসামী করে একটি মামলা করেন। এ মামলা থানায় রেকর্ড না হওয়ায় তিনি নালিশী আদালত সাতক্ষীরায় মামলাটি করেন। পরবর্তীতে এ মামলা খারিজ হয়ে গেলে ২০১৪ সালের ১৫ অক্টোবর ফের মামলাটি পুনরুজ্জীবিত হয়। এসময় তদন্তকারী কর্মকর্তা সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে আদারতে চার্জশীট দাখিরল করেন।



Comments are Closed

%d bloggers like this: